How to earn money by working in Freelancing Websites. পার্টটাইম কাজ করে উপার্জন করুন ফ্রিলান্সিং এর মাধ্যমে!

Freelancing

How to earn money by working in Freelancing Websites. পার্টটাইম কাজ করে উপার্জন করুন ফ্রিলান্সিং এর মাধ্যমে! 

আমরা সবাই freelancing এর ব্যাপারে শুনেছি। অনেকেই আছেন যারা হয়তো এই ব্যাপারটা নিয়ে কিছুটা মাথা ঘামিয়েছে এবং হয়তো চেষ্টাও করেছে। freelancing মানে আমরা অনেকেই যেটা বুঝি সেটা হল কোনো লোকের জন্য গ্রাফিক ডিজাইন করে টাকা ইনকাম করা বা লোগো ডিজাইন করে টাকা ইনকাম করা বা ওয়েবসাইট তৈরী করে দিয়ে করে টাকা ইনকাম করা। আসলে ব্যাপারটা অতটা জটিলও নয়।

Freelancing কি? কিভাবে freelancing করা যায়?

‘ Freelancing ' কথার অর্থ হল স্বাধীন বা মুক্তপেশা। সহজসরল ভাষায় বলতে গেলে, কোনাে প্রতিষ্ঠানের অধীনে না থেকে স্বাধীনভাবে নিজে থেকে ‘ online এ কাজ খুঁজে কাজ করাকেই ‘ Freelancing বলে। ‘ Freelancing এর জন্য আলদাভাবে কোনাে qualificatin লাগে না। আপনার জানা কয়েকটা skill -ই এর জন্য যথেষ্ট। আর এর মধ্যে সবথেকে ভালাে কথা হল আপনি যখন খুশি যেমন খুশি কাজ করতে পারেন। আপনার শুধু দরকার হবে একটা ইন্টারনেট যুক্ত ল্যাপটপ বা কম্পিউটার। বর্তমানে অনেকক্ষেত্রে ফোনের মাধ্যমেও এই কাজ করা সম্ভব।

Freelancing এ Customer কিভাবে আনা যাবে?

অনেকের মাথায় আসতে পারে কিন্তু freelancing এর ক্ষেত্রে লোক নিয়ে আসবো কিভাবে? তাদের জন্য বলে রাখি প্রথমে যে ওয়েবসাইট এ আপনি কাজ করবেন সেই ওয়েবসাইটকেই নিজেকে প্রমোট করার জন্য টাকা দিন বা নিজেকে অন্য ভাবে প্রোমোটিং এর জন্য ব্যায় করুন। এ ক্ষেত্রে বেশি ব্যায় করবেননা, প্রথমে কম ব্যায় করে দেখুন ফলপ্রসু হলে আরও ব্যায় করতে পারেন! 

Freelancing এর মধ্যে কি কি কাজ রয়েছে?

Creative writing, typing, pdf to word convert, photo to word convert, editing, designing, survey, assignment writing, social media manager প্রভৃতি freelancing এর বিষয় হতে পারে। এছাড়াও আরও অনেক অনেক জিনিস রয়েছে যেগুলো করে আপনি টাকা উপার্জন করতে পারবেন। আপনি আপনার skill অনুযায়ী কাজ করতে পারেন। 


কোনো রকমের skill ছাড়া কিভাবে freelancing করা যায়?

অনেকেই থাকতে পারে যারা কোনো skill ছাড়াই freelancing করতে চান। তারাও এই কাজ খুব সহজেই করতে পারবেন। তাদেরকে যেটা করতে হবে সেটা হল দুটো আলাদা আলাদা ওয়েবসাইটে, একটিতে buyer account এবং অপরটিতে seller account তৈরী করতে হবে। এবার যখনই তারা seller account থেকে কোনো কাজ পাবেন সেই কাজটাই নিজে না করে অপর কোনো ওয়েবসাইট থেকে কিছু কম পয়সায় করিয়ে নেওয়া। ফলে আপনার কাছে কোনো কাজ নিজে থেকে না করেই টাকা উপার্জন শুরু হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন freelancing group, community এর সাথে বরাবর যুক্ত থাকার চেষ্টা করুন। 

সেরা freelancing website কোনগুলো?

freelancing এর নাম শুনলে আমাদের মাথায় সবার আগে যে নাম আসে তা হল upwork, fiverr। এই দুটি ওয়েবসাইটে freelancing এর সর্বাধিক কাজ হয়ে থাকে। ওয়েবসাইট দুটি যথেষ্ট সুনামধন্য এবং 100% সুরক্ষিত।

Freelancing করতে গিয়ে সবাই প্রথমেই যে ভুলটা করে-

তবে আমরা যারা চেষ্টা করেছি freelancing এর জন্য, তারা অনেকেই যে ভুলটি করে থাকে সেটি হল freelancing এর জন্য প্রথমেই fiverr বা upwork এ কাজ করা। fiverr.com এবং upwork.com হলো ফ্রিল্যান্সিং সাম্রাজ্যের শীর্ষে অবস্থানকারী দুটি ওয়েবসাইট। আমরা যদি সফল হই ফ্রিল্যান্সিং করতে চাই তবে একদম শূন্য থেকে শুরু হতে হবে। তাই প্রথম ধাপেই এরকম বড় ওয়েবসাইটে গেলে পিছলে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

কম প্রতিযোগিতায় কিভাবে freelancing করা যাবে?

আমাদেরকে প্রথমে যা করতে হবে তা হল কম প্রতিযোগিতামূলক কোনো freelancing এর ওয়েবসাইট নির্বাচন করা এবং সেখান থেকে আমাদের কাজ ধীরে ধীরে শুরু করা। freelancing এর জন্য কম প্রতিযোগিতামূলক অনেকই ওয়েবসাইট রয়েছে যেমন truelancer.com/ freelancing.com/ people per hour ইত্যাদি।

কম প্রতিযোগিতামূলক ওয়েবসাইট খোঁজার জন্য প্রথমে google এ গিয়ে লিখব "low competition freelancing website" এবং একটি ভালো ওয়েবসাইট নির্বাচন করে, তার বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই করে তারপরে আমরা সেখান থেকে কাজ শুরু করব। একবার কাজ শুরু হয়ে গেলে যখন চারটে-পাঁচটা ক্লায়েন্ট বা কাস্টমাররা রিভিউ দেওয়া শুরু করে দেবে, তারপর ধীরে ধীরে নিজের লেভেলটা উপরের দিকে নিয়ে যাওয়া যাবে। এর সুবিধা হল আপনার পুরনো কাস্টমার বা ক্লায়েন্টদেরকে আপনি বড় ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট এ পুনরায় নিয়ে আসতে পারবেন এবং ততদিনে আপনার সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল গুলোতেও ট্রাফিক আসা শুরু হয়ে যাবে। ফলে বড়ো ওয়েবসাইটে গিয়ে পিছলে পড়ার সম্ভাবনা থাকবেনা।


কোনো freelancing ওয়েবসাইটে কাজ শুরু করুন-

  1. প্রথমে যে কোনো একটা ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট এ নিজের সেলার অ্যাকাউন্ট করে ফেলুন।
  2. সমস্ত সঠিক তথ্য ব্যবহার করুন।
  3. নিজের সোশ্যাল মিডিয়ার লিঙ্ক গুলো আপনার ফ্রিল্যান্সিং প্রোফাইলের মধ্যে দিয়ে রাখার চেষ্টা করুন। এবং নিজের সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পোস্ট রাখার চেষ্টা করুন।
  4. নিজে যেই সম্পর্কে জ্ঞান রাখেন বা কাছে যে ধরনের স্কিল রয়েছে, তার উপর ভিত্তি করে প্রতিদিন কিছু না কিছু পোস্ট করুন।
  5. নিজের প্রোফাইল ছাড়াও আপনার স্কিল সম্পর্কিত বিভিন্ন গ্রুপ জয়েন করুন এবং নিজের স্কিন শেয়ার করুন।
  6. কাস্টমার নিয়ে আসার জন্য আপনি linkdin ব্যবহার করতে পারেন
  7. ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটে প্রতিনিয়ত gig দেওয়ার চেষ্টা করুন।
  8. একটা নির্দিষ্ট সময় বেছে নিন, যেই সময়টা আপনি প্রতিদিন ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট অনলাইন থাকতে পারবেন।
  9. যদি পয়সা খরচ করেন তাহলে নিজেকে প্রমোট করার জন্য অ্যাডস চালান।


ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটে কিভাবে কাস্টমার বা ক্লায়েন্টকে নিয়ে আসবেন?

  • ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটে কাস্টমার নিয়ে আসার জন্য সবথেকে বড় জায়গা রয়েছে ইউটিউব, যে সমস্ত ইউটিউবাররা মোটামুটি একটা উপার্জন করছে, তারা সবসময়ই একজন ফ্রিল্যান্সারের খোঁজ করে থাকেন। আপনি তাদের YouTube About এ গিয়ে তাদেরকে approach করতে পারেন।
  • ফেসবুকে বিভিন্ন গ্রুপে জয়েন হয়ে, নিজের স্কিল সম্পর্কে লোকেদের জানান এবং আপনার স্কিলের কিছু ডেমো শেয়ার করুন।
  • সবথেকে ভাল পদ্ধতি হচ্ছে ads চালানো, আপনি গুগল,  ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এর মাধ্যমে সকলের কাছে নিজের skill পৌঁছাতে পারেন।
  • প্রতিনিয়ত কাজ করে যান।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন

نموذج الاتصال